Sunday, January 10, 2016

জেফরি ভ্যান্ডারসের লজ্জার রেকর্ড!

আজ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এমনই এক লজ্জার রেকর্ড তৈরী করে ফেললেন শ্রীলঙ্কান স্পিনার জেফরি ভ্যান্ডারসে। তিনি নিজে করেছেন বললে হয়তোবা একটু ভুলই বলা হবে। কেননা এই ভ্যান্ডারসেকে তুলোধুনা করে অপরপ্রান্তে নিজেদের 'গর্বের রেকর্ড' বানিয়েছেন দুই কিউই ব্যাটসম্যান মার্টিন গাপটিল ও কলিন মুনরো। আর তাদের এই যৌথ পিটুনিই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে ভ্যান্ডারসের জন্য। বাজে রেকর্ডের খাতায় অনিচ্ছাকৃতভাবে হলেও নাম উঠে গেছেতার।অকল্যান্ডে আজ সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে শ্রীলঙ্কার বোলারদের উপর রীতিমত তান্ডবই চালান নিউজিল্যান্ডের কলিন মুনরো ও মার্টিন গাপটিল। আর সবচেয়ে মারাত্মক ঝড়টা উঠেছিল লঙ্কান লেগ স্পিনার জেফরি ভ্যান্ডারসের উপরেই।মানরো (১৪ বলে ৫০*) ও গাপটিলের (২৫ বলে ৬৩) তাণ্ডবে শ্রীলঙ্কার করা ১৪২ রান ১০ ওভারেই টপকে যায় নিউজিল্যান্ড। ওভারপ্রতি ১৪.৩ রেটে তোলা সমগ্র কিউই ইনিংসে শুধুমাত্র ভ্যান্ডারসেই দেন ৪১ রান, তাও মাত্র ২ ওভার বল করে।অর্থাৎ ইকোনোমি রেট দাঁড়ায় ২০.৫০!  যা আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বাজে বোলিংয়ের রেকর্ড (কমপক্ষে ২ ওভার বল করা)।ভ্যান্ডারসের জন্য কিছুটা স্বস্তির বিষয় এই যে, বাজে এই রেকর্ডটা ভ্যান্ডারসের একার নয়। ভারতের রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও মার্কওয়াটের সঙ্গে এই রেকর্ডটা ভাগ করে নিচ্ছেন এই লঙ্কান লেগ স্পিনার।অশ্বিন ২০১৩ সালে রাজকোটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২ ওভার বল করে ৪১ রানই দিয়েছিলেন। আর স্কটল্যান্ডের স্পিনার ওয়াটও ২০১৫ সালে এডিনবার্গে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ২ ওভার বল করে ৪১ রান দিয়েছিলেন।এবার এই দুজনের সঙ্গে যুক্ত হলেন ভ্যান্ডারসে। ওই ইনিংসগুলোতে একটি উইকেটও পাননি তিনজনের কেউই।আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাজে বোলিংয়ের তালিকার এই ৩ 'বেচারা' বোলারদের পরের দুটি স্থানে রয়েছেনঅস্ট্রেলিয়ান বোলার অ্যান্ড্রু সাইমন্ডস ও ব্র্যাড হগ। ২০০৭ সালে পার্থে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২ ওভার বল করে ৩৯ রান দিয়েছিলেন অ্যান্ড্রু সাইমন্ডস। তার ইকোনমি রেট ছিলো ১৯.৫০। তার আগের বছর অর্থ্যাৎ জোহানেসবার্গে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২ ওভার বল করে ৩৮রান দিয়েছিলেন স্পিনার ব্র্যাড হগ। তার ইকোনোমি রেট ছিলো ১৯।মাত্র ৪ ম্যাচ খেলা ২৫ বছর বয়সী এই উদিয়মান স্পিনারের ক্যারিয়ারে সামনে এখনো অনেকটা রাস্তাই বাকি। ১০ জানুয়ারির এই ভয়ঙ্কর স্মৃতি তাই খুব দ্রুতই ভুলে যেতে চাইবেন জেফরি ভ্যান্ডারসে।