Tuesday, October 6, 2015

আপনি কি একজন প্রিলান্সার হতে চান? তাহলে দেখুন আপনি কোন কাজ গুলো শিখবেন এবং আপনাকে কি কি জানতে হবে......

ফ্রিলান্সিং কি :

অনলাইনে কোন কাজ করেতার বিনিময়ে অর্থ উপার্জন করাকেইফ্রিলান্সিং বলে আর যে এই পেশায় নিয়োযিত তাকে ফ্রিলান্সার বলে। এটি  একটি মুক্ত পেশা এখানে কাজ করার কোন বাধ্যবাধকতা নেই তাই পছন্দমতো কাজ বেছে নেওয়ার সুযোগ এখানে আছে।

ফ্রিলান্সিংয়ের জন্য সঠিক গাইডলাইন :

ফ্রিলান্সিং শব্দটি ইদানীং খুব বেশি শুনা
যায় বর্তমানে অনেকেই এই পেশার প্রতি
আগ্রহী,  অনেকে এই পেশায় ক্যারিয়ার
গড়ছেন।  অনেকে আবার সঠিক গাইড-
লাইন না বুঝে এই পেশায় আসছেন
যার ফলে কোন সুফল না পেয়ে এই পেশার
প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছেন। এই জন্য প্রথমে
এই পেশায় আসতে হলে ফ্রিলান্সিং এর
উপযুক্ত কাজ শেখাটা জরুরি যার জন্য
আপনাকে নির্বাচন করতে হবে কোন কাজটা
আপনার  জন্য  উপযুক্ত এবং সে কাজটি
আপনি শিখেন তাহলেই আপনি প্রিলান্সিং
করে সফলতা পাবেন।  অন্যকে দেখে
অনুকরণ করার দরকার নাই, নিজে কোনটি
শিখতে আগ্রহবোধ করেন, কোনটি আপনার
পক্ষে সম্ভব সেটা নিয়ে আত্নবিশ্বাস
নিয়ে কাজ শেখা এবং কাজ করা শুরু করুন
অবশ্যই সফল হবেন।  যে
কাজগুলোর পরিমান খুব বেশি রয়েছে,
সেগুলো নিয়ে কাজ করলে প্রচুর আয় সম্ভব
এবং কাজের কমতিও হবেনা কখনও।


১। ওয়েব প্রোগ্রামিং :


প্রায় সকল ফ্রিল্যান্সিং সাইটেই ওয়েব
প্রোগ্রামিংএর কাজ সব চেয়ে বেশী
থাকে। কাজের রেটও অনেক বেশি। একাজ
করার মত দক্ষলোক কম থাকার কারনে
কম্পিটিশন কম থাকে, সেজন্য কাজ
পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। আর
এইসব কাজের ডিমান্ডও অনেক বেশী হয়ে
থাকে। আপনি যদি ওয়েব প্রোগ্রামিং
জানেন তাহলে এর মাধ্যমে অনেক কাজ
করতে পারবেন।
কাজের ধরণঃ web template design, joomla
theme develop, joomla module develop, wordpress
theme design, wordpress plugin develop, e-
commerce web developed, full web site develop   এর জন্য HTML, CSS, Javascript, Jquery, php,
MySQL, wordpress, joomla  উপর দক্ষতা থাকতে  হবে।

২। এস.ই.ও :


কাজের পরিমাণ এবং মানের দিক থেকে
ওয়েব ডিজাইনের পর পরই রয়েছে এস.ই.ও এর
কাজ। যেকোন ব্যবসা কিংবা ওয়েবসাইটের
অনলাইন মার্কেটিংয়ের কাজটাই এস.ই.ও
সকল কোম্পানীর জন্য মার্কেটিং
প্রয়োজন, সেটা যত বড় কোম্পানী হোক।
সুতরাং বুঝতেই পারছেন কি পরিমান কাজ
থাকতে পারে এ কাজের। আর যেহেতু এ
কাজের জন্য টেকনিক্যাল জ্ঞান কিংবা
কম্পিউটার জ্ঞান কম লাগে সেহেতু এ কাজ
সবাই খুব সহজে শিখে শুরু করতে পারে।
কাজের ধরণঃ অনপেইজ এস.ই.ও, লিংক
বিল্ডিং, ইমেইল মার্কেটিং, কিওয়ার্ড
রিসার্চ, সোশ্যাল মিডিয়া সাবমিশন,
আর্টিক্যাল সাবমিশন, অনলাইন
মার্কেটিং, পুরো এস.ই.ও প্রজেক্ট,   এর জন্য
 onpage seo, off page seo, online
marketing, article writing  এর উপর ভালো দক্ষতা থাকতে হবে।


৩। গ্রাফিক্স ডিজাইন :


ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলাতে এর অনেক
চাহিদা রয়েছে। আপনি যদি ভাল
গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ জানেন তাহলে
অনেক আয় করতে পারবেন। আর গ্রাফিক্স
ডিজাইনারদের ডিমান্ডও অনেক বেশী হয়ে
থাকে। ডিজাইন প্রতিযোগিতা, ডিজাইন
বিক্রিসহ আরও অনেকভাবে প্রচুর আয় করা
সম্ভব।


কাজের ধরণঃ লোগো ডিজাইন, বিজনেস
কার্ড ডিজাইন, ব্রুশিয়ুর ডিজাইন,
ওয়েবসাইট PSD ডিজাইন ইত্যাদি।    এর জন্য photoshop, Illustrator, Indesign এর উপর দক্ষতা থাকতে হবে।

৪। ব্লগ এবং আর্টিকেল রাইটিং :


শুধুমাত্র আর্টিকেল লিখে অনেক আয় করা
যায়। যাদের লেখালেখির অভ্যাস আছে
এবং ইংরেজীতে ভাল দক্ষতা আছে, তারা
এ কাজ করে ভাল একটা আয় সম্ভব। যারা
চাকুরীর পাশাপাশি অনলাইনে আয় করতে
চান, তাদের জন্য এটি একটি ভাল উপায়।


কাজের ধরণ :   আর্টিকেল রাইটিং,
আর্টিকেল রিরাইটিং, ট্রান্সলেট, প্রুফ
রিডিং ইত্যাদি। এর জন্য English writing skill, typing speed এর উপর ভালো দক্ষতা থাকতে হবে।

৫। মোবাইল এ্যাপস ডেভেলাপঃ


বর্তমানে প্রোগ্রামিংয়ের ‍কাজের মধ্যে
মোবাইল এ্যাপ তৈরীর কাজ খুব বেশী
পাওয়া যায়। বর্তমানে চলছে স্মার্ট
ফোনের জোয়ার। এজন্য মোবাইল এ্যাপস
তৈরির প্রচুর কাজ পাওয়া যায় অনলাইনে।
এসব কাজের রেট অনেক বেশি, কিন্তু
প্রতিযোগি অনকে কম। এ কাজ শিখলে
কমপক্ষে আগামী ১০বছর প্রচুর আয় করতে
পারবেন নিশ্চিন্তে।
কাজের ধরণ :  মোবাইল গেমস ডেভেলাপ,
এপ্লিকেশন তৈরি।        এর জন্য Java programming, Android application এর উপর দক্ষ হতে হবে।

ডাটা এন্ট্রি  :  ফ্রিলান্সিং পেশায় সবচেয়ে সহজ কাজ হচ্ছে ডাটা এন্ট্রি এর জন্য খুব বেশি দক্ষতার দরকার হয়না।

ডাটা এন্ট্রি  কাজের প্রয়োজনীয় যোগ্যতা:

 ডাটা এন্ট্রি কাজের জন্য আহা মরি কোন

হাই-ফাই যোগ্যতার প্রয়োজন পড়ে না। এ

কাজের জন্য লাগবে-

১. ইন্টারনেটে সার্চ করে কোন একটি তথ্য

খোঁজে বের করার মত যোগ্যতা,

২. বায়ারের প্রজেক্ট বুঝবারমত

ইংরেজিতে হালকা জ্ঞান,

৩. দ্রুত টাইপিং করার ক্ষমতা,

৪. বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট, ফোরাম

ইত্যাদি সম্পকে© ধারনা,

৪.মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ও মাইক্রোসফট

এক্সেলে দখল,

এছাড়া কিছু কিছু প্রজেক্ট পাওয়া যায়

যাতে শুধুমাত্র কপি-পেস্ট করা ছাড়া আর

কোন দক্ষতার প্রয়োজন হয় না।

তাছাড়াও আরো অনেক ধরণের কাজ রয়েছে।
আপনি যদি সত্যিই কাজ জানেন তাহলে
অনেক কাজ করতে পারবেন। তবে একটি কথা
বলি, ভালভাবে কাজ না জেনে কোন কাজ
শুরু করলে ফল খুব ভাল হবেনা। তাই কাজ
করার আগে কাজ শিখুন। যেকোন একটি
বিষয়ই ভালভাবে শিখলেই হবে।